জগন্নাথপুরে সাবেক চেয়ারম্যান মজলুল হক হয়রানীর শিকার

Spread the love

মো.শাহজাহান মিয়া/ফখরুল ইসলাম ::

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাগময়না গ্রামের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ¦ মজলুল হক একটি চক্র কর্তৃক একের পর এক হয়রানীর শিকার হয়ে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চেয়ারম্যানের পারিবারিক বিরোধের সুযোগে স্থানীয় একটি মহল চেয়ারম্যানকে নানাভাবে হয়রানী করছে।
জানাগেছে, চেয়ারম্যান মজলুল হকের বিশাল জায়গা সম্পত্তি রয়েছে। এসব সম্পত্তি জবর-দখল করতে একটি চক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। চেয়ারম্যান মজলুল হকের মৃত এক স্ত্রী সুফিয়া বেগমের নামে চেয়ারম্যান প্রায় ৪ কেদার মূল্যবান জায়গা দান করেন। এসব জায়গা জবর দখল করতে চেয়ারম্যানের তালাকপ্রাপ্ত আরেক স্ত্রী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আয়ফুল বিবি মৃত সুফিয়া বেগমের নাম ব্যবহার করে পাসপোর্ট বানিয়েছেন। এখন চেয়ারম্যানের তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আয়ফুল বিবির ছেলে এনামুল হক যুক্তরাজ্য থেকে দেশে থাকা একটি মহলকে দিয়ে চেয়ারম্যানকে নানাভাবে হয়রানী করছে।
ইতোমধ্যে রাস্তার নাম করে চেয়ারম্যানের পুকুর পাড়ের জমি দখলের চেষ্টা নিয়ে অনেক তুলকালাম কান্ড ঘটেছে। সাজানো অগ্নিকান্ডে চেয়ারম্যানকে ফাসানোর চেষ্টা চলছে। বিদ্যুতের খুটি জোর পূর্বক চেয়ারম্যানের জায়গা দিয়ে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া চেয়ারম্যানের জায়গা-সম্পত্তি অন্যত্র বিক্রি করতে গেলেও ক্রেতাদের নানাভাবে ভূল বুঝিয়ে সরিয়ে দেয়া হয়। এসব ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে ৯টি মামলা-মোকদ্দমা চলছে। একের পর এক হয়রানীর ঘটনায় বর্তমানে চেয়ারম্যান অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ভূক্তভোগী চেয়ারম্যান মজলুল হক বলেন, আমার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আয়ফুল বিবি ও ছেলে এনামুল হকের ইন্ধনে স্থানীয় একটি চক্র আমাকে নানাভাবে হয়রানী করছে। তাদের যন্ত্রনায় আমি অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। এসব চক্রের সাথে বর্তমান রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা জড়িত আছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন নির্বাচনী বিরোধের কারণে চেয়ারম্যান জড়িত রয়েছেন। তবে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!