জগন্নাথপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যুতের মামলা নিয়ে তোলপাড়

Spread the love

মো.শাহজাহান মিয়া/হিফজুর রহমান তালুকদার জিয়া ::

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যুতের মামলা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর পৌর শহরের ভবেরবাজার এলাকায় শাহ আবদুল আজিজ কিন্ডার গার্টেন নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগের মিটার রয়েছে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা শাহ নুরুল করিমের নামে। বিগত প্রায় এক বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পরে আবার বিদ্যুৎ অফিসকে না জানিয়ে সংযোগ দেয়া হয়। এমন খবর পেয়ে গত ১২ মার্চ বিদ্যুৎ বিভাগের একজন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ও জগন্নাথপুর বিদ্যুৎ অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযান চালান। অভিযানকালে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সাংবাদিক জাকারিয়া আহমদকে গ্রেফতার করা হলেও ছেড়ে দেয়া হয়। পরে জগন্নাথপুর উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আজিজুল ইসলাম আজাদ বাদী হয়ে শিক্ষক জাকারিয়া আহমদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে শাহ আবদুল আজিজ কিন্ডার গার্টেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সাংবাদিক জাকারিয়া আহমদ বলেন, আমি শুধু শিক্ষক। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাঠদান দেয়া আমার কাজ। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১২ মার্চ অভিযানকালে আমি সহ অন্য শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের সামনে অপমান করা হয়। এ ঘটনায় একজন শিক্ষিকা অব্যাহতি নিয়েছেন। পরে আবার আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অথচ আমি নিরপরাধ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আজিজুল ইসলাম আজাদ বলেন, অবৈধভাবে টমটম গাড়ি চার্জ দেয়ার দায়ে গত প্রায় এক বছর আগে শাহ আবদুল আজিজ কিন্ডার গার্টেনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও আমাদেরকে না জানিয়ে চুরি করে আবার সংযোগ দেয়া হয়। যে কারণে গত ১২ মার্চ একজন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকালে হাতেনাতে ধরে ব্যবহারকারী হিসেবে জাকারিয়া আহমদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এ সময় আদালত জাকারিয়া আহমদকে গ্রেফতার করলেও আমার অনুরোধে তাকে ছেড়ে হয়। আমি তার উপকার করায় এখন সে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কাউকে কোন প্রকার অপমান করা হয়নি। আদালত শুধু অবৈধ সংযোগের কারণ জানতে চেয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!