জগন্নাথপুরে মসজিদ ও সরকারি রাস্তায় চলাচলে বাধা দেয়ার অভিযোগ

Spread the love

মো.শাহজাহান মিয়া

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের পাঠানগর গ্রামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে ও গ্রামের সরকারি রাস্তায় চলাচলে নিরীহ লোকদের বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে ৬ আগষ্ট সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে পাঠানগর গ্রামবাসীর পক্ষে গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী আবদুল জব্বার ও আরশ আলী স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ প্রদান করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পাঠানগর গ্রামটি নতুন। স্থানীয় বাগময়না ও গন্ধর্বপুর গ্রাম থেকে লোকজন এসে এখানে বসবাস করছেন। পাঠানগর গ্রামের ঠিকানায় কারো কোন ভোটার আইডি কার্ড নেই। তবে ২০১৫/১৬ অর্থ বছরে রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মজলুল হক ও নারী ইউপি সদস্য রুপতেরা বেগমের মাধ্যমে সরকারি ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পের অধীনে গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা মাটি ভরাট করা হয়। এ সময় পুরো রাস্তার কাজ শেষ হলেও আইয়ূব আলী নামের এক মালিকের আত্বীয় আবদুল লতিফ বাধা দেয়ায় রাস্তার প্রায় ১০০/১৫০ ফুট জায়গা বাকি থাকে। যে কারণে গ্রামের লোকজন চলাচলে ভোগান্তির শিকার হন।
এর মধ্যে কয়েক দিন ধরে পাঠানগর গ্রামের লোকজনকে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে ও রাস্তায় চলাচলে বাধা দেন একই গ্রামের মৃত আবদুল মতলিবের ছেলে সুজাত আলী ও তার লোকজন। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও মসজিদে জায়গা দিয়েছেন অভিযোগকারী আবদুল জব্বার। এছাড়া গ্রামবাসীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত মসজিদে ৩ বার সরকারি বরাদ্দও দেয়া হয়েছে।
এদিকে-২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে পাঠানগর গ্রামের রাস্তায় মাটি ভরাট কাজের তথ্য পাওয়ার জন্য রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজলুল হক জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পৃথক আবেদন করেন।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!