জগন্নাথপুরে বড়ফেছি স্কুলে সরকারি চাল বরাদ্দ আত্মসাত বিষয়ে চ্যালেঞ্জিং জবাব

Spread the love

 

মো.শাহজাহান মিয়া ::

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের ৮৪নং বড়ফেছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি বরাদ্দের চাল আত্মসাত বিষয়ে চ্যালেঞ্জিং জবাব দিয়েছেন ভূক্তভোগীরা। কয়েক দিন আগে বড়ফেছি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জড়িয়ে অপ-প্রচার চালানো হয়। এসব অপ-প্রচারের ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ৯ আগস্ট রোববার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্র্বাহী কর্মকর্তা ও জগন্নাথপুর থারার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবরে পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ৮৪নং বড়ফেছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি বরাদ্দ আত্মসাত নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, পরিকল্পিত ভাবে ব্যক্তি বিশেষগণের মানহানী ও বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতার ভাবমুর্তি বিনষ্ট করে গুজব ছড়ানোর পায়তারা চলছে। এ বিষয়ে বড়ফেছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাওলানা খাজা তকি উদ্দিন, সহ-সভাপতি ওয়ারিশ মিয়া, শাহ আবদুল হক ও সাবেক ইউপি সদস্য এবং আশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাহ খায়রুল ইসলাম বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এতে আসামী করা হয় বড়ফেছি গ্রামের সফিক মিয়ার ছেলে কাহের মিয়া, মৃত আফিজ উল্লার ছেলে ইলিয়াছ মিয়া সহ আরো ৪/৫ জনকে। অভিযোগে স্বাক্ষী রাখা হয়েছে আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানী, প্যানেল চেয়ারম্যান বকুল চন্দ্র দাস, সাবেক ইউপি সদস্য লেবু মিয়া সহ ১২ জন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আসামীরা মিথ্যাবাদী, দাঙ্গাবাজ, পরধনলোভী, সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী ভাইরাস প্রকৃতির লোক। অপ-প্রচার চালিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মানহানি ও সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজের বাধা সৃষ্টি করে থাকে। প্রকৃত বিষয় হচ্ছে বড়ফেছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সরকারি বরাদ্দে আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক মাটি ভরাট কাজ করা হয়। এখানে বিদ্যালয় কমিটির কোন সম্পৃক্ততা নেই। সুতরাং আত্মসাত করার প্রশ্নই উঠে না। তাঁরা চ্যালেঞ্জ করে বলেন, আমরা যদি আত্মসাত করে থাকি, তাহলে আইন অনুযায়ী সব ধরণের সাজা নিতে প্রস্তুত রয়েছি। তা না হলে অপ-প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানানো হয়।

Print Friendly, PDF & Email
error: Content is protected !!