জগন্নাথপুরে বেহাল সড়ক নিয়ে রশি টানাটানি

Spread the love

 

মো.শাহজাহান মিয়া ::

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের হাবিবনগর গ্রাম এলাকায় মাত্র আধা কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশার কারণে জন ভোগান্তি চরমে পৌছেছে। এছাড়া মন্দা হয়ে গেছে ব্যবসা বাণিজ্য। তাই ভাঙ্গাচোরা সড়ক মেরামতের দাবি এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।
জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ সড়কের হাবিবনগর থেকে ঘোষগাঁও সেতু পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অটোমিল, কলকারখানা সহ বাসা-বাড়ি। গত প্রায় ৭ বছর ধরে সড়কটি ভাঙতে ভাঙতে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।
১৭ জুলাই শনিবার সরজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সড়কটি চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে অতীতে মিল ও কলকারখানার মালিকরা মিলে অনেকবার মেরামত কাজ করেছেন বলে মিল মালিকরা জানান। তবুও সড়কটি রক্ষা করা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় ভাঙ্গাচোরা সড়কটি মেরামতের দাবি এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।
এদিকে-সড়কের মালিকানা নিয়ে এলজিইডি ও পৌরসভার মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। তাই কবে সড়কের মেরামত কাজ হবে কেউ জানেন না। যে কারণে ভূক্তভোগী জনতা রীতিমতো নিরাশ হয়ে পড়েছেন।
এ সময় অটোমিল মালিক ছালিকুর রহমান, ওয়াহিদ খান ও আমির হোসেন বলেন, সড়কের করুণ দশার কারণে গাড়ি চলাচল করতে চায় না। এতে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দা হয়ে গেছে। অতীতে অনেকবার আমরা ব্যক্তি উদ্যোগে মেরামত কাজ করেছি। তাতেও সড়কটি রক্ষা করা যাচ্ছে না। তাই জনস্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে সড়কটি মেরামত করতে তারা সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
ধান ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ বলেন, আমরা এসব মিলে ধান বিক্রি করতে চাইলেও সড়কের বেহাল দশার কারণে আসতে পারি না। যে কারণে বাধ্য হয়ে অন্য এলাকার মিলে নিয়ে বিক্রি করি। পথচারীরা জানান, সড়কটির করুণ দশার কারণে এখানে গাড়ি তো দুরের কথা রিকশাও আসতে চায় না। তাই বাধ্য হয়ে আমাদের হেঁটে চলাচল করতে হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) গোলাম সারোয়ার বলেন, সড়কের একাংশ পৌরসভার। বাকি অংশ মেরামতের প্রক্রিয়া চলছে। তবে জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন বলেন, এ সড়কটি এলজিইডির। সুতরাং পুরো সড়কটি তাদেরকে মেরামত করতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *