জগন্নাথপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩

Spread the love

মো.শাহজাহান মিয়া ::

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের ৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের ধাওরাই বাজারের পাশে সড়কে। এ নিয়ে দুই দফা হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানাগেছে, স্থানীয় জামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে সম্প্রতি-জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন আ.লীগের অর্থ সম্পাদক খসরু মিয়া এবং বিএনপি নেতা সুহেল খান টুনুর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর মধ্যে সুহেল খান টুনুর চাচাতো ভাই ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির মিয়া স্থানীয় ধাওরাই বাজারের সড়কের পাশে সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেন। এতে প্রতিবাদী হয়ে উঠেন খসরু মিয়ার ভাই কাওছার মিয়া। এ নিয়ে গত প্রায় এক মাস আগে কাওছার মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের আলোকে ৩১ অক্টোবর বুধবার স্থানীয় তপশিল অফিসের সরকারি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবাদী যুবক কাওছার মিয়ার সাথে কথা বলেন।
এ সময় সাব্বির মিয়ার লোকজনের হামলায় প্রতিবাদী যুবক কাওছার মিয়া, কয়েছ মিয়া ও শামীম আহমদ সহ ৩ জন আহত হন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনার জের ধরে প্রতিবাদী যুবক কাওছার মিয়ার বাড়িতে গিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালান। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন।
এ নিয়ে ১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার আবারো দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয়। পরে আবার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এসব ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় আবারো বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। তবে এ ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিয়ে ছাত্রলীগের অফিস ভাংচুরের অপবাদ রটানো হচ্ছে বলে আহত পরিবার জানান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আশারকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্ম-সম্পাদক উকিল আলী বলেন, আশারকান্দি ইউনিয়নে ছাত্রলীগের কোন অফিস নেই। সুতরাং ভাংচুরের প্রশ্নই উঠে না। এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী জগন্নাথপুর থানার এসআই লুৎফুর রহমান বলেন, পুলিশের হস্তক্ষেপে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।
এদিকে-আহত কাওছার মিয়া বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের সাব্বির মিয়া সহ ১১ জনকে আসামী করে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!