জগন্নাথপুরে পাল্টা অভিযোগ

Spread the love

 

মো.শাহজাহান মিয়া ::

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের শাহ হাফিজ ফছিহ (র.) মাজার শরীফ ও হিজল বাড়ি কবরস্থানের উন্নয়নের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও পরিকল্পিত ব্যক্তি বিশেষগণের মানহানী মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্র আ.লীগ সরকারের উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত ও ভাবমুর্তি বিনষ্টে গুজব রটানো বিষয়ে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ১৯ আগস্ট জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন সাবেক ইউপি সদস্য শাহ খায়রুল ইসলাম, সমাজসেবক শাহ আবদুল হক, মাওলানা খাজা তকি উদ্দিন ও ওয়ারিশ মিয়া। এতে বিবাদী করা হয় মৃত আফিজ উল্লার ছেলে ইলিয়াছ মিয়া ও সফিক মিয়ার ছেলে কাহের মিয়াকে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আমরা দরখাস্তকারীগণ দেশের আইন মান্যকারী সহজ সরল ও শান্তিপ্রিয় প্রকৃতির লোক। পক্ষান্তরে বিবাদীগণ মিথ্যাবাদী দাঙ্গাবাজ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ও পরনিন্দাকারী লোক। অভিযোগকারী সাবেক ইউপি সদস্য ও আ.লীগ কর্মী শাহ খায়রুল ইসলাম নিজেকে সব সময় গরীব-দুঃখি ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকেন। কিছু দিন আগে তাকে ফোনে প্রাণনাশ সহ মিথ্যা মামলায় ফাসানোর হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি জগন্নাথপুর থানায় জিডি করেন। এর মধ্যে শাহ খায়রুল ইসলাম সহ কয়েক জনকে জড়িয়ে চাল আত্মসাত নিয়ে অপ-প্রচার চালানো হয়। এসব অপ-প্রচারের জবাবও দেয়া হয়েছে। এরপরও বিবাদীরা ক্রান্ত হয়নি। আরেকটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে আবারো অপ-প্রচার চালায়।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, শাহ হাফিজ ফছিহ (র.) মাজার উন্নয়ন ও রক্ষানাবেক্ষনের জন্য ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি রয়েছে। কমিটির সভাপতি মুজিবুর রহমান মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক শামীম আহমদ ও কোষাধ্যক্ষ শাহ খায়রুল ইসলাম, হান্নান মিয়া ও মুকিত মিয়া। এখানে এককভাবে টাকা উত্তোলন বা কাজের সুযোগ নেই। তাই আত্মসাতের প্রশ্নই উঠে না। তবে অতীতে মাজারে ওরস হলেও বর্তমানে ইসলামী জলসা হয়ে থাকে। অভিযোগকারী শাহ আবদুল হক আ.লীগের সক্রিয়কর্মী ও আ.লীগ সরকারের উন্নয়ন কাজে অবদান রয়েছে। অভিযোগকারী মাওলানা খাজা তকি উদ্দিন শিক্ষানুরাগী ও ওয়ারিশ মিয়া সমাজসেবক। তাই বিবাদীরা এলাকার সম্মানী ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিদের জড়িয়ে অপ-প্রচার ও বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এসব ঘটনায় তদন্তক্রমে অপবাদকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *