জগন্নাথপুরে আতঙ্কিত জনপদের নাম জামালপুর

Spread the love

মো.শাহজাহান মিয়া ::

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের জামালপুর গ্রাম এখন আতঙ্কিত জনপদে পরিণত হয়েছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যে কোন সময় বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।
জানাগেছে, জামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন আ.লীগের অর্থ সম্পাদক খসরু মিয়া এবং বিএনপি নেতা সুহেল খান টুনুর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর মধ্যে সুহেল খান টুনুর চাচাতো ভাই ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির মিয়া স্থানীয় ধাওরাই বাজারের সড়কের পাশে সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেন। এতে প্রতিবাদী হয়ে উঠেন খসরু মিয়ার ভাই কাওছার মিয়া। এ নিয়ে গত প্রায় এক মাস আগে কাওছার মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের আলোকে স্থানীয় তপশিল অফিসের সরকারি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সাব্বির পক্ষের হামলায় প্রতিবাদী যুবক কাওছার মিয়া সহ ৩ জন আহত হন। এ ঘটনায় আহত কাওছার মিয়া বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের সাব্বির মিয়া সহ ১১ জনকে আসামী করে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা করেন।
এদিকে-এ ঘটনাটি সামাজিকভাবে নিস্পত্তি করতে অনেক চেষ্টা করেও রাজনৈতিক ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ রীতিমতো ব্যর্থ হন। যে কারণে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়রা জানান, খসরু পক্ষ মানলেও সাব্বির পক্ষ আপোষ না মানায় ঘটনাটি নিস্পত্তি হয়নি। তারা অভিযোগ করে বলেন, সাব্বির পক্ষ কাউকে তোয়াক্কা করছে না। এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গ্রুপে গ্রুপে ওৎঁ পেতে থাকে খসরু পক্ষের উপর হামলা করার জন্য। তাদের ভয়ে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানাী বলেন, অনেক চেষ্টা করেও তাদের অসহযোগিতায় বিষয়টি নিস্পত্তি করা যাচ্ছে না।
জগন্নাথপুর থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তির চেষ্টা চলছে। তা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!