করোনা মোকাবেলায় সরকারি নতুন ১৮ নির্দেশনা

Spread the love

 

মো.শাহজাহান মিয়া ::

 

বাংলাদেশে মহামারি করোনার প্রকোপ নতুন করে আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই করোনা মোকাবেলায় সরকার নতুন করে ১৮ নির্দেশনা জারি করেছেন। ৩১ মার্চ থেকে এসব নির্দেশনা কার্যকর হবে। নতুন এসব নির্দেশনা মেনে চলতে ৩০ মার্চ মঙ্গলবার জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করে জানানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনাগুলো হচ্ছে, ১। সকল ধরণের জনসমাগম (রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। উচ্চ সংক্রামনযুক্ত এলাকায় সকল ধরণের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। বিয়ে, জন্মদিন সহ যে কোন সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে। ২। মসজিদ সহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে যথাযত স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। ৩। পর্যটন/বিনোদন কেন্দ্র/সিনেমা হল/থিয়েটার হলে জনসমাগম সীমিত করতে হবে এবং সকল ধরণের মেলার আয়োজন নিরুৎসাহিত করতে হবে। ৪। গণপরিবহণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণ ক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী বহন করা যাবে না। ৫। সংক্রামনের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে আন্ত:জেলা যান চলাচল সীমিত করতে হবে। প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে। ৬। বিদেশ হতে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। ৭। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী খোলা/উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন পূর্বক ক্ষয়-বিক্রয় ব্যবস্থা করতে হবে। ওষুধের দোকানে যথাযত স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে। ৮। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সমূহে মাস্ক পরিধান সহ যথাযত স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। ৯। শপিং মলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের যথাযত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। ১০। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। ১১। অপ্রয়োজনীয় ঘুরাফেরা/আড্ডা বন্ধ করতে হবে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০ টার পর বাইরে বের হওয়া নিয়ন্ত্রন করতে হবে। ১২। প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাস্ক পরিধান সহ সকল ধরণের স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক পরিধান না করলে কিংবা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ১৩। করোনা আক্রান্ত/করোনা লক্ষনযুক্ত ব্যক্তির আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনিষ্ট সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদেরও কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। ১৪। জরুরী সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল সরকারি, বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/ শিল্প কারখানা সমূহ ৫০ ভাগ জনবল দ্বারা পরিচালনা করতে হবে। গর্ভবর্তী/অসুস্থ্য/বয়স ৫৫ উর্ধ্ব কর্মকর্তা/কর্মচারীর বাড়িতে অবস্থান করে কর্ম সম্পাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। ১৫। সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা যথা সম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে। ১৬। স্ব-শরীরে উপস্থিত হতে হয়, এমন যে কোন ধরণের গণ-পরীক্ষার ক্ষেত্রে যথাযত স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। ১৭। হোটেল-রেস্তোরা সমূহের ধারণ ক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ বারিত করতে হবে। ১৮। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সর্বদা বাধ্যতামূলক ভাবে মাস্ক পরিধান সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *